ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬ , ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুন্সীগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা


আপডেট সময় : ২০২৫-০৯-২৪ ১৪:১৪:৪৬
মুন্সীগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মুন্সীগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
 
ফাহাদ মোল্লা:
 
মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বাগমামুদালি পাড়া এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে একটি ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ফার্মেসি থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়।
 
অভিযান পরিচালনা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ। এ সময় সহযোগিতা করেন উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ জামাল উদ্দিন মোল্লা, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক শাহনাজ বেগম এবং মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
 
অভিযানে দেখা যায়, মেসার্স লাজ ফার্মা লিমিটেড নামক ফার্মেসিটি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির জন্য প্রদর্শন ও সংরক্ষণ করছিল। যা সরাসরি ভোক্তাদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে তার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, অনেক ক্ষেত্রে তা মানবদেহে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ডেকে আনে। এজন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার নাছিম উদ্দিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
 
অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার প্রশ্নে কোনো প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ওষুধের মতো স্পর্শকাতর পণ্য যখন মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় বিক্রি বা সংরক্ষণ করা হয়, তখন তা পুরো সমাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তাই ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
 
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা স্থানীয় জনগণকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবহিত করেন। একইসাথে তারা সাধারণ মানুষকে নিয়মিত কেনা ওষুধের মেয়াদ যাচাই করার পরামর্শ দেন। অন্যদিকে, ফার্মেসি মালিকদের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলা হয় যে, কোনোভাবেই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দোকানে রাখা বা প্রদর্শন করা যাবে না।
 
অভিযানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ক্রেতা ও বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই অনেক দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায়। তবে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে ক্রেতারা উপকৃত হবেন এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হবে।
 
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে। বিশেষ করে ওষুধ, খাদ্যপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হবে।


 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ